da4ba7d1b5688305010f9df38ec6fbfe045d25e0 Most Terrible horror ghost stories in bangla: পরীর সাথে প্রেম
name="propeller" content="2ed678d440884c082cf36a57cdf105f7"

Monday, December 11, 2017

পরীর সাথে প্রেম


পর্ব:৬ষ্ঠ।Zombie hand coming out of his grave
.
Writer:Abir mahdud khan
{অদৃশ্য ক্যানভাসে কাঠপেন্সিল লেখক}
"""""""""""""""""""'"'"'''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
''''''
তাকিয়ে দেখলাম আখিঁ রাগে ফুলছে।
আমার একেবারে কাছে এসে শার্টের কলার ধরে-
/
আখিঁ:-ঐই তুমি আমার লিপস্টিক খাও ভালো কথা। সুপ্তির লিপস্টিক খাইলা কেন।«১১০ভোল্টেজ রাগ দেখিয়ে»
/
আমি:-সত্যি বিশ্বাস করো জান।
আমি ভাবছি তুমিই সুপ্তি।«হায় হায় এটা কি বললাম»
/
আখিঁ:-কি তারমানে তুমি আগে থেকেই সুপ্তির লিপস্টিক খাইতে চাইছিলা।
আপনি আর কোনদিন বাগানে যাবেন না।
হায় হায় তুমি থেকে একেবারে আপনি তে চলে এসেছে।
প্যারা আর প্যারা আবীর তোর জীবনটাই শুধু প্যারা দিয়ে ভর্তি।
আর এদিকে তাকিয়ে দেখি সুপ্তি মিটিমিটি হাসছে।
/
আমি:-সরি আমি এটা বলতে চাইনি।
আমি বলতে চাইছিলাম সুপ্তিকে তুমি ভেবে লিপস্টিক খেয়ে ফেলছি।
/
আখিঁ:-মিথ্যা কথা।
তুমি সুপ্তির লিপস্টিক জেনে শুনেই খাইছো।
/
আমি:-সত্যি বিশ্বাস করো আমি.......!
কথাটা শেষ করার আগেই দেখলাম আখিঁ ও সুপ্তি অদৃশ্য হয়ে গেল।
.
হুর!
আবার মনটা খারাপ হয়ে গেল।
শুয়ে শুয়ে কি যেন একটা ভাবছিলাম।
এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল। এখন আবার কে এলো দরজা খুলে দেখলাম দিপু চাচা এসেছে।
/
চাচা:-ভাতিজা এখন বাড়িতে চলে যাও।
তোমার আম্মু তোমাকে না পেয়ে অনেক খুজেছেঁ।
আমি কিছু না বলেই বাসার দিকে হাটাঁ শুরু করলাম।
বাসায় কলিংবেল চাপতেই আম্মু দরজা খুলে দিয়ে জিঙ্খেস করলো-
/
আম্মু:-কিরে এতক্ষন কোথায় ছিলি?
আর সকালে এই ভাবে দৌড় দিয়েছিলি কেন।
/
আমি:-বারে রে তুমিই তো সকালে ঝাড়ু নিয়ে আমাকে মারতে আসছিলে।তাই গুম থেকে ওঠেই দৌড় দিয়েছিলাম।
/
আম্মু:-হায়রে বোকা আমিতো সকালে বিড়াল তাড়াতে ঝাটা হাতে তোর রুমে গিয়েছিলাম।«হাসত
ে হাসতে»
এ এটা কি হলো।
আম্মু তাহলে আমাকে মারতে ঝাটা নিয়ে আমার রুমে যাইনি।
শুধু শুধু কষ্ট ভোগ করলাম।
যাইহোক এর জন্যই তো আখিঁর লিপস্টিক খাওয়া হলো।
.
রুমে এসে একটু রেস্ট নিলাম।
তারপর গোসল করতে গেলাম।
গোসল শেষ করে যখন গেন্জি পড়বো তখনই আখিরঁ একটা কথা মনে পড়ে গেল।
আখিঁ বলেছিল আমাকে নাকি সবসময় দেখে।তাহলে কি এখনো আমাকে দেখছে।
আমি চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম আখিঁ আছে কি না। না নেই-
মনের সুখে গেন্জি পড়ছিলাম এমন সময় সামনে তাকিয়ে দেখি আখিঁ দাড়িয়ে আছে।
তাও আবার আমার লুঙ্গি হাতে নিয়ে।
হায় হায় এখন কি করবো। ও কি এখন আমাকে লুঙ্গি পড়িয়ে দিবে নাকি।
আমার মান ইজ্জত সব শেষ।
আরে ভাই আপনাদের একটা লুঙ্গি থাকলে দেন না প্লিজ
আখিঁর হাত থেকে রক্ষা পেলেই দিয়ে দেব।
না আখিঁকে একটু পাম দিয়ে দেখি কাজ হয় কিনা।
/
আমি:-আমার মিষ্টি পরী।আমার জান,আমার কলিজা,আমার মন।
আমার লুঙ্গিটা দিয়ে দাওনা প্লিজ।«পাম দিলাম আরকি»
/
আখিঁ:-ওগো আমার জানু,পরানু,আমার কলিজা«পামটা কাজে দিসে মনে হয়» তোমাকে আমি লুঙ্গি দিচ্ছি না।
আমাকে যতই পাম দেও না কেন লুঙ্গি আমি তোমাকে দেব না।
/
হায় হায় কয় কি তাহলে তো এইভাবে ভিজা শরীর নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে থাকতে আমি ওপরে চলে যাবো।
/
আমি:-দেখ আমি কিন্তু তোমাকে..........!....
/
আখিঁ:-আমাকে কি হু?
বেশি কথা বললে না লুঙ্গি নিয়ে চলে যাবো।
সুপ্তির লিপস্টিক খাওয়া না বার করছি আজকে।
/
হায় আল্লা কেন যে সেদিন রাতে লিপস্টিক খেতে গেলাম।
এবার এর ট্যালা সামলাও আবীর ভায়া।
/
আমি:-ভুল হয়ে গেছে আর লিপস্টিক খাবো না কোনদিন।«মন খারাপ করে»
/
আখি:-ওলে বাবা লে।
তবে ক্ষমা করতে পারি একটা শর্তে।«বিজয়ের হাসি»
/
আমি:-কি শর্ত।«অবাক হয়ে»
/
আখি:-আজকে রাতে তুমি বাগানে যাবে লাল পান্জাবীটা পরে।
/
আমি:-এ আর এমন কি কঠিন কাজ।
ঠিক আছে যাবো।
/
আখিঁ:-শর্ত এখনো শেষ হয়নি!
তুমি আজকের পর থেকে কোন মেয়ের দিকে থাকাবে না এমনকি ফেইসবুকে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে পারবে না।
/ হায় হায় এটা কেমন শর্ত।আচ্ছা বলেন তো আপু আপনাদের সাথে কথা
না বলে কি থাকতে পারবো।
এখন মিথ্যা কথা বলে বাচতেঁ হবে।
/
আমি:- আচ্ছা ঠিক আছে।«মিথ্যা বললাম»
/
আখিঁ:- এই নাও।
বলেই লুঙ্গিটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিল।
তাড়াতাড়ি লুঙ্গিটা ওর হাত থেকে নিলাম।
/
আমি:- আমি না লুঙ্গি পড়তে পাড়িনা তুমি একটু পড়িয়ে দাও না।«এই রে মুখ ফসকে এটা কি বলে ফেললাম»
আখিঁর দিকে তাকিয়ে দেখি বড় বড় চোখ করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
-সরি এটা মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে।
বলেই আখির দিকে তাকালাম কিন্তু একি আখিঁ কোথায় গেল।
-কিরে তোর গোসল এখনি হয়নি।
এই রে আমি যে গোসল করছিলাম মনেই ছিল না। -এইতো শেষ।আসছি আম্মু।
.
গোসল শেষ করে বিকালে একটু বাহিরে বের হলাম।তারপর বাসায় ফিরলাম রাতে।
রাতের খাবার খেয়ে লাল পান্জাবীটা পড়লাম।
তারপর বাগানে যাবার জন্য বের হচ্ছি হঠাৎ করেই রুজি কোথায় থেকে আসলো।
আমাকে দেখে অনেকটা অবাক হলো কারন আমি শুক্রবার ছাড়া কখনো পান্জাবী পড়ি না।
আমার দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো-
/
রুজি:-ভাইয়া তুমিতো শুক্রবার ছাড়া পান্জাবী পড় না।
ব্যাপার কি। আজ হঠাৎ করেই পান্জাবী পড়লা যে।
খাইছে আমারে এখন আবার কেন যে ও আমার রুমে আসল বুঝতে পারছি না।
/
আমি:-পান্জাবীটা ছোট হয়ে যাচ্ছে তো তাই একটু পড়ে দেখছি ছোট হয়ে গেছে কিনা«ডাহা মিথ্যা কথা»
/
রুজি:-ওমা তাই নাকি।
তাই বলে এত রাতে!«অবাক হয়ে»
/
আমি:- হু তাতে তোর কি যা বের হ।
বলেই অনেকটা জোর করে বের করে দিয়ে ভেতর থেকে দরজা আটকে দিলাম।
শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম পরীটার কথা। আহা কি সুন্দর তার চোখ দুটো,কি সুন্দর তার হাসি,আর সবচেয়ে সুন্দর হচ্ছে তার গালের তিলটা।
এসব ভাবতে ভাবতে ঘরিটার দিকে তাকালাম। এই রে খাইছে আমারে ১২টা বেজে গেছে।
তার পরও আমার কোন খবর নাই।
আজকে লিপস্টিকের পরিবর্তে মনে হয় কপালে অন্য কিছু জুটবে।
যাইহোক গিয়ে দেখি কি আছে কপালে।
পিছনের দরজা দিয়ে বাগানে গেলাম ।
গিয়ে বড় ধরনের একটা শর্ট খেলাম বাগানের পরীটাকে আজকে অন্যরকম লাগছে।
.
পরীটা আজ একটা নীল জামা পড়ে এসেছে।
আমি চোখঁ ফেরাতে পারছিলাম না।
দূর থেকে অনেকক্ষন তাকিয়ে দেখলাম।
না কাছে গিয়ে দেখি আজকেও লিপস্টিক খেতে পারি কিনা হি হি।
আস্তে আস্তে পরীটার কাছে গেলাম পরীটা অন্যদিকে তাকিয়ে আছে।
তাই পেছন থেকে ঝরিয়ে ধরলাম।
পরীটা আমাকে ছাড়াতে চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না।
অনেকক্ষন চেষ্টার পর হঠাৎ করেই ঠাস..........!
কিছু বুঝলেন পরীটা আমাকে চড় মেরেছে।
আমি কল্পনাও করিনি যে পরীটা আমাকে চড় মারবে।
ঠিকি তো আমি কে।
আমি মানব সন্তান ভুলেই গিয়েছিলাম।
.
আর ও হলো একটা পরী।
হয়তো আমাকে ওর পছন্দ না,আমার থেকে অনেক ভালো কোন ছেলের সাথে রিলেশন করতে পারবে ও।চিৎকার দিয়ে কাদতেঁ ইচ্ছে করছে।
চোখেঁ ফেটে জল বের হয়ে আসতে চাইছে।
দেখলাম পান্জাবীটা ভিজে গেছে।
আরে আমি কাদছিঁ কেন তাহলে কি আমি ওকে সত্যি সত্যিই ভালোবেসে ফেলেছি।
না আর থাকা যাবে না পরীটার সামনে।
কোন অধিকারে আমি পরীটার সামনে দাড়িঁয়ে আছি।
তাই চলে আসতে লাগলাম। কিন্তু হাঁটতে পারছি না কেন।
আমার মনে হচ্ছে কেউ আমাকে পেছন থেকে টেনে ধরেছে।
তাই পিছনে ফিরে তাকালাম।
কিন্তু একি পরীটার চোখেঁ জল কেন।
পরীটাও কি তাহলে আমাকে চড় দেওয়ার অপরাধে কাদছেঁ।
না ও কাদবেঁ কেন ও তো আমাকে ভালোবাসে না। তাই বলতে লাগলাম।
/
আমি:-হাত ছাড়ো!«অভিমানী সুরে»
/
পরী:-সত্যি বিশ্বাস করো আমি তোমাকে ইচ্ছা করে চড় মারিনি।
এই প্রথম কেউ আমাকে এই ভাবে ঝরিয়ে ধরলো তাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।নিজেকে কোন ভাবেই তোমার হাত থেকে ছাড়াতে না পেরে চড় মেরেছি।
কিন্তু আমি ইচ্ছা করে মারিনি«কাঁদতে কাঁদতে»
/
আমি:-সত্যি তো।
তুমি ইচ্ছা করে মারোনি।«খুশি হয়ে»।
/
পরী:-সত্যি সত্যি তিন সত্যি।
ইচ্ছা করে মারিনি।
/
আমি:-জানো আমি খুব কষ্ট পেয়েছি।«অভিমানে সুরে»
/
পরী:-সরি জানু, পরানু।একটু এদিকে আসো তো তোমার কপালে এটা কি«অবাক হয়ে»
/
আমি:-কই কই দেখ কি দেখো তো।বলেই পরী«আখির»মুখের কাছে আমার iখটা নিয়ে গেলাম।
/
পরী:-চোখটা বন্ধ করো তো।«দুষ্টুমির হাসি দিয়ে»
/
আমি:-কে এ ..................!
পুরো কথাটা বলার আগেই পরী আমার ঠোটে তার
ঠোট ঢুবিয়ে দিয়েছে।
হায় হায় এখনো ছাড়ছে না।আজকে মনে হয়ে লিপস্টিক খেতে এসে আমিই লিপস্টিকের ভিতরে হারিয়ে যাবো।
ঐই মিয়া কি দেখেন হু। দেখছেন না পরীর«আখিঁ» লিপস্টিক খাচ্ছি। কালকে আসবেন আজকে ব্যস্ত আছি লিপস্টিক খাওয়াই।
চলবে..............!..........
আগের সবগুলো পর্বই এই গ্রুফে দেয়া হয়েছে।

No comments:

Post a Comment