da4ba7d1b5688305010f9df38ec6fbfe045d25e0 Most Terrible horror ghost stories in bangla: রুম্ মেট নামক পিশাচ
name="propeller" content="2ed678d440884c082cf36a57cdf105f7"

Sunday, December 10, 2017

রুম্ মেট নামক পিশাচ

black devil standing on ruins of building against burning city, digital art style, illustration painting



স্বাতীর রুমে একজন নতুন রুমমেট
এসেছে, পিউলি। আগে যে মেয়েটা
ছিলো, কিছুদিন আগে এক মাসের
ভাড়া বাকী রেখে কাউকে কিছু না
জানিয়ে কোথায় যেন চলে গেছে।
তবে চলে যাবার আগে নিজের সব
জিনিসপত্র নিয়ে যেতে ভোলেনি।
.
স্বাতীর মত যারা হলে সিট পায়নি,
তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে
কাছাকাছি জায়গাগুলোতে কয়েকজন
মিলে একটা বাড়ি ভাড়া করে
থাকে। স্বাতীরা এই বাড়ির চারটা
রুমে মোট আটজন থাকে।
.
নতুন মেয়েটা বোধহয় অনেক লাজুক।
নিজে থেকে পরিচিত হতে লজ্জা
পাচ্ছে। স্বাতী নিজেই পরিচিত হতে
এগিয়ে যায়।
.
"হাই, আমি স্বাতী" ... স্বাতী মিষ্টি
করে একটা হাসি দেয়। ওর হাসি
ক্যাম্পাসে অনেক বিখ্যাত। একবার
একটা ছেলে ওর হাসির সৌন্দর্য সইতে
না পেরে রীতিমত মাথা ঘুরে পড়ে
গিয়েছিলো। এই ব্যাপারটা নিয়ে
পুরো ক্যাম্পাসে সে কি হাসাহাসি।
সেই ছেলে সাতদিন অসুস্থ হয়ে পড়ে
ছিলো বিছানায়। পরে স্বাতীর বন্ধু
বান্ধবীরা ওকে বাধ্য করে
ছেলেটাকে দেখতে যেতে। ধীরে
ধীরে ছেলেটাকে বেশ ভালোই
লেগে গিয়েছিলো স্বাতীর।
ছেলেটার সাথে কিছুদিন ডেটও
করেছে। তারপর একদিন আর দশটা
ছেলের মতই স্বাতীকে ধোঁকা দিয়ে
পালিয়ে যায় ছেলেটা। স্বাতীর বন্ধু
বান্ধবীরা অনেক খুঁজেছে, পায়নি।
.
- আমি পিউলি, পিউলি গোমেজ ...
মেয়েটাও পাল্টা হাসি দেয়।
.
"গোমেজ...তুমি কি..."
.
- হ্যাঁ, আমি খ্রিস্টান। স্বাতী কথা
শেষ করার আগেই মেয়েটা বলে ওঠে।
.
"না, না, আমার কোন সমস্যা নেই।
পদবী গোমেজ শুনে এমনি জিজ্ঞেস
করলাম। বাই দ্য ওয়ে, তোমার হাসিটা
কিন্তু খুব সুন্দর।"
.
- কি যে বলেন, আপু। এখানে এসে
আপনার হাসির কত প্রশংসা শুনেছি।
আপনার হাসির কাছে তো কিছুই নয়।
.
নিজের প্রশংসা শুনে মনে মনে বেশ
খুশি হলো স্বাতী।
.
"তোমার দেশের বা......"
.
স্বাতীর কথা শেষ হবার আগেই দড়াম
করে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলো মুক্তা।
.
'খবর শুনেছিস? রূপার রুমের ঢঙ্গি ওই
মেয়েটা, পিংকি। ওটাও
পালিয়েছে।'
.
"পালিয়েছে কিভাবে বুঝলি? কালই
তো... না, না, পরশুই তো দেখলাম
ওকে।"
.
'হাহ! না জেনে এমনি এমনি কি আর
বলছি নাকি? ব্যাগ পত্তর কিসসু নেই। সব
ফকফকা। ওই লাইন মারতো না একটা
ছেলের সাথে? বকুল না কি যেন নাম!
ওর সাথেই কেটে পড়েছে বোধহয়। তা
পালাবি, ভালো কথা। ভাড়ার
টাকাটা দিয়ে যাবি না?'
.
"হুম, সেটাই তো..."
.
'ও তোর নতুন রুমমেট চলে এসেছে
দেখছি। শায়লা তোমার কথা বলে
রেখেছিলো। কি নাম যেন তোমার?'
.
- জী, পিউলি। পিউলি গোমেজ।
.
'ও বাবা, খ্রিস্টান নাকি?"
.
- জী, আপু।
.
'আচ্ছা ঠিক আছে, ঠিক আছে ...
স্বাতীর ওসব নিয়ে কোন প্রবলেম নেই।
তাছাড়া তুমি শায়লার পূর্ব পরিচিত।
কোন সমস্যা হলে জানিয়ো, হুম।
. জী, অবশ্যই।
.
'আর শোন মেয়ে, একটা কথা বলে
রাখি। যদি পালানোর মতলব থেকে
থাকে, ভাড়াটা অন্তত দিয়ে যেও।
তোমাদের মত নতুনরা হুট করে এসে ফুট
করে চলে গেলে পরের মাসটা
আমাদের ম্যানেজ করে নিতে বড়
সমস্যা হয় গো।'
..
মেয়েটা আসলেই অনেক চুপচাপ।
রাতে খাবার টেবিলে বসে খেয়াল
করলো স্বাতী। শায়লা তো ওর পূর্ব
পরিচিতই, আর মুক্তার সাথে তো
পরিচয় হয়েছেই। বাকী ছিলো এনা,
পারুল, সোমা আর হিমি। পিংকি তো
আগেই পালিয়েছে। সবার সাথেই
পরিচয় পর্বের হাই হ্যালো টুকু ছাড়া
আর অন্য কোন আলাপ করলো না
মেয়েটা।
.
মাথা নিচু করে চুপচাপ খেয়েই
যাচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে, খেতে খুব
কষ্ট হচ্ছে।
.
"কিছু লাগবে?"
.
- না আপু, থ্যাংকস।
.
"তুমি তো অনেক শুকনা। ডায়েট করো
নাকি? এভাবে কম খেলে অসুস্থ হয়ে
পড়বে কিন্তু।"
.
- আমার অভ্যাস আছে।
.
স্বাতী আর কথা বাড়ায় না। কি
দরকার গায়ে পড়ে এসব জুনিয়র মেয়ের
সাথে আদর দেখানোর। আজকালকার
মেয়েগুলো বড় আপুদের মায়াটুকুও
বোঝে না।
.
মর গে!
..
খুটখাট শব্দে ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো
স্বাতীর। চোখে অন্ধকারটা একটু সয়ে
আসতেই দেখলো একটা কালো ছায়ার
মত কে যেন দরজা খুলে বাইরে
বেরিয়ে যাচ্ছে।
.
ঘুম ঘুম চোখে বালিশের পাশ থেকে
মোবাইলটা হাতে নিয়ে সময় দেখলো
স্বাতী। রাত তিনটা। এত রাতে
বাইরে কোথায় গেলো মেয়েটা।
আশ্চর্য তো! উঠে গিয়ে দেখবে
নাকি?
.
আচ্ছা একটু অপেক্ষা করে দেখা যাক,
ব্যাপারটা কি।
.
শুয়ে শুয়ে অপেক্ষা করতে করতে কখন
যে আবার ঘুমিয়ে পড়েছে, নিজেও
জানে না স্বাতী। ঘুম ভাঙলো
পিউলির ডাকে।
.
- আপু উঠেন, আপনার ক্লাস আছে না?
.
"উম...হ্যাঁ আছে তো।"
.
- তাড়াতাড়ি করুন, আটটা তো প্রায়
বেজে গেছে।
.
"আচ্ছা তুমি কাল রাতে দরজা খুলে
কোথায় গিয়েছিলে, বলোতো?"
.
প্রশ্নটা শুনে কেমন যেন চমকে উঠলো
পিউলি।
.
- ক...কই না তো! ক্কখন?
.
"আমি তো নিজ চোখে তোমাকে রুম
থেকে বের হতে দেখলাম..."
.
- একটু ট...টয়লেটে গিয়েছিলাম।
.
স্বাতীদের রুমের অ্যাটাচড বাথরুমের
কমোডটা নষ্ট। টয়লেটে যাবার জন্য
বাইরে আরেকটা বাথরুম আছে, ওটায়
যেতে হয়। স্বাতী অবশ্য ছোটটার জন্য
বাইরে যায় না। এখানেই সেরে
ফেলে।
.
মেয়েটা কি তাহলে মিথ্যে বললো?
..
আজও পিউলি ভাত খোঁটাচ্ছে।
স্বাতীর একটু রাগই লাগলো।
.
"এই মেয়ে, খাচ্ছো না কেন ... হুম? এত
অল্প খেলে বাঁচবে?"
.
- আপু, আমি অল্পই খাই।
.
"দূপুরে কি খেয়েছো?"
.
- ক্যান্টিনে খেয়েছি।
.
"ভাত?"
.
- হু।
..
আজও মেয়েটা বেরিয়েছে, সেই একই
সময়ে। স্বাতী আজ ঠিক করে
রেখেছে, নিজে গিয়ে দেখে
আসবে। বিছানা ছেড়ে উঠে দরজাটা
খুলতেই ফাল্গুনের বাতাসে গায়ে
কাঁটা দিয়ে উঠলো স্বাতীর। একটু
গ্রামের দিকে হওয়াতে রাতের
দিকে এখনও ঠান্ডা লাগে। চাদর
গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হয়।
.
- আ...আপু, আপনি এই সময়ে উঠেছেন
যে?
.
"কেন তুমি উঠতে পারো, আমি পারি
না?"
.
- না, না, তা কেন!
.
"কোথায় গিয়েছিলে? আজকেও
টয়লেটে?"
.
- জ..জী। বাইরে বেশ ঠান্ডা, আপু
আপনি কি টয়লেটে যাবেন?
.
"না।"
.
- তাহলে দরজাটা লাগিয়ে দেই?
.
"হুম।"
.
আজকেও ধরতে না পারায় মনে মনে
বেশ রাগ হচ্ছে স্বাতীর। মেয়েটা
অবশ্যই কিছু লুকাচ্ছে। কিন্তু কি সেটা?
.
.
"কি রে শায়লা, মুক্তাকে দেখছি
না। কই ও?"
.
- কি জানি, কিছু তো বলেনি
আমাকে। সকালে আমি ঘুম থেকে
ওঠার আগেই বেরিয়ে গেছে। এরপর
সারাদিনে আর দেখা হয়নি।
.
"রাত বাজে দশটা, ও তো এত রাতে
বাইরে থাকার মত মেয়ে নয়।
তাছাড়া এই এলাকাটাও তো সন্ধ্যার
পর পরই বেশ নির্জন হয়ে যায়। ওর
মোবাইলে কল দিয়েছিলি?"
.
- হুম দিয়েছিলাম তো। মোবাইল রুমে
ফেলে গেছে। জানিসই তো, প্রায়ই
এই কাজটা করে।
.
"আচ্ছা খাওয়া শেষ করে আমি তোর
রুমে আসছি। তোর সাথে একটু কথা
আছে।"
..
"পিউলি মেয়েটাকে তুই কিভাবে
চিনিস?"
.
- ফেসবুকে আমার ফ্রেন্ডলিস্টে
ছিলো। মাঝে মধ্যে চ্যাট হতো।
.
"ওহ, তাহলে পারসোনালি চিনিস
না?"
.
- না, ঠিক ওভাবে নয়। কেন রে?
.
"মেয়েটার আচরণ কেমন জানি
সন্দেহজনক। প্রতিরাতে চুপি চুপি
কোথায় যেন যায়।"
.
- জিজ্ঞেস করিসনি?
.
"করেছিলাম। বলেছে টয়লেটে। আমার
বিশ্বাস হয় না।"
.
- ধুর, তুইও না। শুধু শুধু সন্দেহ করিস।
তোদের বাথরুমের কমোডটা তো নষ্ট,
টয়লেটেই যায়।
.
"হুম।" শায়লার উত্তরে ঠিক খুশি হতে
পারে না স্বাতী। তবে শায়লার মনে
সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয়া গেছে। আপাতত
এটুকুতেই চলবে।
..
খুট করে দরজাটা লাগিয়ে দিয়ে
বিছানায় এসে শুয়ে পড়তেই স্বাতী
বলে উঠলো;
.
"আচ্ছা, রোজ রোজ তোমার গভীর
রাতে টয়লেটে যেতে হয় কেন?"
.
- আপু, আমি ডায়বেটিক পেশেন্ট। তাই
রাতে টয়লেট চাপে। রুমের
অ্যাটাচডটায় যাইনা, কারণ আমি
জানি আপনি ওটায় যান। আর আমার
একটু শুচিবায়ু আছে। এই কারণে
খাওয়া-দাওয়াও একটু মেপে মেপে
করি। আমি আসলে কথাগুলো বলতে
চাইনি। আপনি প্রতিদিন এভাবে প্রশ্ন
করায় বলতে বাধ্য হলাম। আমি ঘুমিয়ে
পড়লে আপনিও তো প্রতিরাতে চুপি
চুপি দরজা খুলে বের হন। এটা নিয়ে
তো আমি কখনও আপনাকে প্রশ্ন করিনি।
.
"টয়লেটে কি শুধু তোমার একারই
যেতে হয় নাকি? আমার যেতে হয় না?
ঠিক আছে শুয়ে পড়।"
.
আপনি তো রুমের অ্যাটাচড বাথরুমেই
কাজ সারেন, কথাটা বলতে গিয়েও
বলে না পিউলি। স্বাতী নামের
রুমমেটটাকে কেন জানি খুব ভয় লাগে
ওর। খাবার টেবিলে লক্ষ্য করেছে,
ওকে বার বার ভাত নিতে বলে
ওদিকে নিজে পায়ের কাছের
ঝুড়িটায় অনেক খাবার ফেলে দেয়।
স্বাতী ওর থেকেও অনেক কম ভাত
খায়, কিন্তু ফিগার খুবই সুন্দর। দেখতেও
সেরকম, ছেলেরা তো আর এমনি এমনি
প্রেমে পড়ে না।
..
পিউলি অনেক দূর থেকে অনুসরণ করে
যাচ্ছে স্বাতীকে। স্বাতী যেন
হাওয়ায় ভেসে ভেসে যাচ্ছে।
পায়ের পদক্ষেপ বোঝা যাচ্ছে না। এই
শীত শীত আবহাওয়ার মধ্যেও স্বাতী
পাতলা একটা নাইটি পরে
বেরিয়েছে।
.
স্বাতীকে অনুসরণ করার কোন ইচ্ছাই
ছিলো না পিউলির। কিন্তু রোজ
রাতে ওর বাইরে যাওয়া নিয়ে এত
প্রশ্ন করায় ওর মেজাজটা খিঁচড়ে
গিয়েছিলো। পিউলি রোজ রাতে ঘুম
থেকে জেগে বাইরে যায়, এই
ব্যাপারটাই যেন সহ্য হচ্ছিলো না
স্বাতীর। তাছাড়া স্বাতী বাইরে
গেলে কমপক্ষে এক ঘন্টার আগে ফেরে
না স্বাতী। এত রাতে একটা মানুষের
বাথরুমে এক ঘন্টা সময় কাটানোর কথা
না। কৌতূহল স্বাতীর একারই নেই,
পিউলিরও আছে।
.
স্বাতী খুব দ্রুতই এগিয়ে যাচ্ছে।
পিউলি অনেকটা পেছনে পড়ে
গেছে। ধীরে ধীরে স্বাতী সামনের
নিকষ কালো অন্ধকারে মিলিয়ে
যায়।
.
পিউলি হাঁটার গতি বাড়িয়ে দেয়।
এতটা পথ হাঁটার অভ্যাস নেই ওর।
তাছাড়া শরীরও দূর্বল। আরেকটু এগিয়ে
গিয়ে জঙ্গলামত একটা জায়গায়
স্বাতীকে ওর দিকে পেছনে ফিরে
বসে থাকতে দেখে পিউলি। পেছন
থেকে স্বাতীর নড়াচড়া দেখে কিছু
একটা করছে বোঝা যায়।
.
স্বাতী এই রাত দূপুরে এত দূরে এসে কি
করছে জানার জন্য কৌতূহলে পিউলির
ভেতরটা ফেটে যেতে থাকে।
পিউলি একটু এগিয়ে গিয়ে স্বাতীর
পেছন থেকে উঁকি দিয়ে যে দৃশ্যটা
দেখে, সেটা না দেখলেই বোধহয়
ভালো করতো।
.
মাথাবিহীন একটা মানুষের শরীর।
ইতিমধ্যে শরীরটায় পঁচন ধরেছে। ডান
হাতটাও নেই। স্বাতী শরীরটার বাম
হাতটা নিয়ে মাংস খুবলে খুবলে
খাচ্ছে।
.
রাত দূপুরে এই রকম পরিবেশে
মাথাবিহীন একটা শরীর দেখে
চেনার কথা নয় পিউলির। তারপরেও
পরনের সালোয়ার কামিজ দেখে
চিনতে পারলো।
.
- মুক্তা আপা... নিজের অজান্তেই
অস্ফুট কন্ঠে নামটা বেরিয়ে এলো
পিউলির মুখ দিয়ে।
.
শরীরটা না ঘুরিয়েই ঝট করে মাথাটা
পেছন দিকে ঘুরিয়ে ফেললো স্বাতী।
চাঁদের আলোয় স্বাতীর ফ্যাটফ্যাটে
সাদা মুখটায় রক্ত লেগে থাকা টকটকে
লাল ঠোঁট দুটোর ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে
আসা চোখা দাঁতগুলো ভয়ঙ্কর
দেখাচ্ছিলো। এমন অপার্থিব
চেহারা কোন মানুষের হয় না, হতে
পারে না।
.
পিউলি একটা চিৎকার দিয়ে
পালিয়ে যাবার জন্য ঘুরে দাঁড়াতেই
প্রায় উড়ে এসে ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে
স্বাতী। সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলার
আগে গলার কাছটায় তীব্র ব্যথা অনুভব
করে ওঠে পিউলি।
.
.
খুব সকালে স্বাতীর চেঁচামেচিতে
ঘুম ভেঙ্গে রুম থেকে বেরিয়ে আসে
শায়লা, পারুল, এনা, সোমা আর
হিমি।
.
"এই শায়লা, বলেছিলাম না
মেয়েটার মধ্যে ঘাপলা আছে? এখন
দেখেছিস তো!"
.
- কি হয়েছে? চোখ কচলাতে কচলাতে
জিজ্ঞেস করে শায়লা।
.
"কি হবে আবার। ঘুম থেকে জেগে
দেখি মহামান্যা নেই। বিছানা,
বেডিং, জামা কাপড় সব ফকফকা।"
.
- মেয়েটাকে দেখে তো একদম এরকম
মনে হয়নি। সন্দিগ্ধ গলায় বলে ওঠে
শায়লা। পারুন আর এনাও মাথা
নাড়িয়ে সায় দেয়।
.
"চেহারা দেখে যদি মানুষ চেনা
যেতো, তাহলে আমাকে ওই ছেলেটা
এতবড় ধোঁকা দিয়ে পালিয়ে যেতে
পারতো না।"
.
- হুম! তোর দাঁতের ফাঁকে কি লেগে
আছে রে? ব্রাশ করিসনি?
.
"রাতের খাবারের অংশ হয়তো, এখনও
ব্রাশ করিনি।"
.
স্বাতী দ্রুত মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে
হাতের তীক্ষ্ণ নখ দিয়ে দাঁতের
ফাঁকে লেগে থাকা পিউলির
শরীরের মাংসের ছোট্ট একটা টুকরো
খুঁচিয়ে বের করে ফেলে।
To be continued....

No comments:

Post a Comment