da4ba7d1b5688305010f9df38ec6fbfe045d25e0 Most Terrible horror ghost stories in bangla: #_সিন্দুকের_রহস্য _(অজানা এক বাংলা ভুতের গল্প) -www.banglavutergolpo.Ml
name="propeller" content="2ed678d440884c082cf36a57cdf105f7"

Monday, December 11, 2017

#_সিন্দুকের_রহস্য _(অজানা এক বাংলা ভুতের গল্প) -www.banglavutergolpo.Ml


Mysterious woman ghost on dark background. Halloween scene

#_সিন্দুকের_রহস্য __________

Horror Time
★আজ দীর্ঘদিন পরীক্ষা শেষে ছুটি পেয়েছি। ভাবছি কোনো এক জায়গায় ঘুরতে যাব। অবশ্য পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে টেনশনও আছে, তবে এই সময়টা যদি উপভোগ না করি তাহলে কোনো অভিজ্ঞতাই অর্জন হবে না কেননা পাঠ্যবইয়ের বাইরেও একটা জগত আছে। যাই হোক, এই চিন্তা মাথায় আসতেই সাথে সাথে কল দিলাম বেস্ট ফ্রেন্ড তাসনিমকে। ওর মত নিয়ে আমার আরেকটা বেস্টফ্রেন্ড রিয়াদকে কল দিলাম। রিয়াদ বলল..."চল, সবাই আমার গ্রামে যায়। সেখানে অনেক মজা করবো। আর জানিস! গ্রামের শেষ প্রান্তে একটা বাড়ি আছে, আমার সেখানে একটিবার যাওয়ার অনেক আশা। সবাই বলে ওটা নাকি একটা ভৌতিক বাড়ি। চল গ্রামে যায় আর ঐ বাড়িটার রহস্য উদঘাটন করি। আর আমার ভৌতিক কিছুতে বিশ্বাস নেই, তবুও গ্রামের মানুষ সেদিকে যায় না কেন এটা জানার খুব আগ্রহ আমার। কিন্তু সুযোগ পাইনি একা যাওয়ার। তোরা গেলে সেখানে যেতে পারব। কি বলিস!_" এসব শুনে আমার অনেক আগ্রহ জন্মালো। আমি যটপট হ্যাঁ করে দিলাম। সাথে প্রাণপ্রিয় এক ভাই অভ্রকেও একথা জানালাম। সে তো কোনোদিকে যেতে বললেই আগে দৌড়ে। তারও মত নিলাম। আমরা চারজন একসাথেই বেরোব কাল সকাল, সাথে তাসনিমের বোন তামান্নাও। উফফ, আমি তো যেন ওয়েটই করতে পারছি না।
.
সকাল হল। নাস্তা করতেই ব্যাগ গুছানোতে লেগে পড়লাম। পাশ থেকে মোবাইলের ক্রিং ক্রিং আওয়াজ ভেসে আসল। নিশ্চয় তাসনিম। ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে...
--কি রে! বের হচ্ছিস না? বেড়াতে যাচ্ছি যে সেখানেও লেইট..?_
--আরে ইয়ার, বের হচ্ছি তো। এইতো গাড়িতে উঠে পড়লাম। (বকা না শুনার বাহানা)_
--আমরা, রিয়াদ আর অভ্র ভাইয়াও বের হয়ে পড়ছে। তুই তাড়াতাড়ি বের হ।_
--জানি, আচ্ছা বের হচ্ছি। বাই।_
বলেই ফোন রেখে দিয়ে ব্যাগ গুছিয়ে আম্মুকে বলে বের হয়ে পড়লাম। অবশ্য আম্মুর বকুনি সব অনুমতি নেওয়ার সময় খেয়েছিলাম, তাই এখন আর পাওনা নেই। আর ঐখানে যাওয়ার আসল কারণটাও বলিনি ওনাকে, বললে তো যেতেই দিতেন না।..
বাসস্ট্যান্ড এ এসে পড়েছি এতক্ষণে। সাথে বাকিরাও এসে পড়েছে। সবাই সাথে করে বাসে উঠলাম। বেশ দূরের পথ। যেতে মিনিমাম ২ ঘন্টা লাগবে। বাস ছেড়ে দিয়েছে। গ্রামে কি উদ্দেশ্যে যাচ্ছি সেটা শুধু আমার আর রিয়াদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বাকিরা যদি অমত দিত তবে যাওয়াটা হত না। সবার জানা উচিত তাই এখন আর লুকানো যাবে না। সবাইকে উদ্দেশ্য করে বাড়িটার কথা বললাম।..
তাসনিম তো বিস্ফোরক চোখে দেখছে, যেমন এই এখন গিলে খাবে আমায়। আমি তাদের বুঝালাম পৃথিবীতে ভৌতিক কিছুর অস্তিত্ব নেই। এসব ভৌতিক কিছুর সঞ্চার মানুষের মাধ্যমেই ঘটে আর কিছু না। এসব বুঝানোর পর সবাই সেখানে যাওয়ার জন্য রাজি হল।
.
অনেক মজা মাস্তি শেষে প্রায় ৩ঘন্টা পর গ্রামে এসে পৌঁছলাম। এই শীতে রোদের আভায় গ্রামটা যেন হলদে হয়ে আছে। অথচ শহরে এই সময়ে চাঁদর মোড়ে দিয়ে কানে হ্যাডফোন গুজিয়ে গান শুনি। যাই হোক, এখানে রিয়াদ তার বাড়িতে নিয়ে আসল আমাদের। রিয়াদের দাদা, চাচা সবাইকে সালাম করলাম। ওনারা সবাই আমাদের দেখে অনেক খুশি হলেন। রিয়াদের চাচি আমাদের মেয়েদের তিনজনকে থাকতে একটা রুম দেখিয়ে দিলেন। আর রিয়াদ, অভ্রকে নিয়ে ওর রুমেই থাকবে।..
রাত ১০টার দিকে সবাই খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ল শুধু আমরা ছাড়া। শহুরে মানুষ, এই রাতও কোনো রাত হইল! রিয়াদ চুপিস্বরে এসে আমাদের রুমের দরজায় টোকা দিল। দরজা খোলার পর ও ঢুকে পড়ল। একটু পর অভ্রও চলে আসল। সবাই রিয়াদকে উদ্দেশ্য করে বললাম..
--কি রে, এত রাতে এখানে কী!_
রিয়াদ বলল..
--যা করার জন্য আসছি, তা এখনই করতে হবে। ঐ বাড়িটার কথা গ্রামের সবাই জানে। কয়েকজন তো কৌতূহলবশত সেখানে গেছিল কিন্তু আর ফিরে আসেনি। তাই গ্রামের কেউ সেখানে যায় না। আর দিনের বেলায় গেলে কেউ আমাদের দেখে ফেলবে। তাছাড়া গ্রামের লোকরা এই টাইমে ঘুমিয়ে পড়ে। আমরা না হয় এখনই বের হয়।_
আমাদের একটু সংকুচ হল। পরক্ষণে রাজি হয়ে গেলাম। ওর কথাও ঠিক। অমন জায়গায় কাউকে হয়ত যেতে দিবে না।
আমরা প্রয়োজনীয় টর্স এটা ওটা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। গ্রামের একদম শেষপ্রান্তে বাড়িটা, একদম নিস্তব্ধ এক জায়গা। আশেপাশে কিছু গাছ আছে। মাঝেমাঝে কিছু শেয়াল ডাকছে। এক কথায়, ভয়ানক একটা পরিবেশ। রিয়াদ ফিসফিসিয়ে বলল...
--তোরা জানিস! অনেকের মতে এখানে একটা ভাল লোক বাস করতেন। ওনার একটা মেয়েও ছিলেন। মেয়েটা কি কারণে যেন আত্মহত্যা করেছিল, এরপর লোকটাও এসব সইতে না পেরে মারা যায়। তখন থেকে নাকি এই বাড়িটা ভৌতিক হয়ে উঠে। দুই একজন যারা এখান থেকে বেঁচে ফিরেছিল তাদের মতে এখানে নাকি ওরা সেই মেয়েটাকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখছে আর লোকটার লাশও ছিল সেখানে। জানি না, এসব সত্য কি না।_
রিয়াদের কথা শুনতে শুনতে আমরা বাড়িটার সন্নিকটে চলে আসলাম। হঠাৎ....
(চলবে..!)
(*আজ অনেকদিন পর গল্প লিখলাম। এমনিতে রুপকথার গল্প লিখি। এইবার কিছু ভৌতিক হয়ে যাক। আশা করি, সবাই আশানুরূপ মন্তব্য করবেন।)

2 comments:

  1. Replies
    1. Thanks for your valuable Comment.Stay tuned with us and keep supporting!

      Delete