da4ba7d1b5688305010f9df38ec6fbfe045d25e0 Most Terrible horror ghost stories in bangla: # শিমুলের_বিদায়_স্টোর
name="propeller" content="2ed678d440884c082cf36a57cdf105f7"

Monday, December 11, 2017

# শিমুলের_বিদায়_স্টোর


terrible zombie hands, dirty hands of the mummy, zombie theme, halloween theme, white background, isolated, black hand of death with black fingernails, monstrous art




# শিমুলের_বিদায়_স্টোর (# বানান_ভুল_আছে_একটু_শুদ্ধ_করে_প রে_নিবেন ) 
লেখাঃ#এডমিন। 
রাত ১১.৪৫মিনিটা।মানুষ এর চলাচল কমে গেছে প্রায়।এই রাতে কাজ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাহির হয়না।তার মধ্যে কন কনে শরীর কাপুণী শীত।দুর থেকে দেখা যায় বাজারের রাস্তার পাশে একটা দোকানে নিম নিম করে ১টা ১০০ বল্টেজ এর বাতি।আনমনে বসে আছেন শিমুল,তার দোকানের চেয়ারটাতে চাদর মুড়ি দিয়ে।অনেক রাত পর্যন্ত থাকে সে।কারন তার কাজটাই যে এইটা।কখন যে কাস্টমার আসে বলা যায়না।কিন্তু বেশি রাত পর্যন্ত থাকেনা,১১টা,১২টা পর্যন্ত থাকে।এসময়ে পুরা বাজারে হাতে গনা ২.৩টা দোকান খোলা থাকে।তারপর তারা সবাই মিলে একসাথে বাড়ি ফিরে।তার দোকানের নাম,(বিদায় স্টোর)।নামটা অদ্ভুদ,তার কাজ হল,একটা মৃত ব্যাক্তিকে দাফন করতে যা যা লাগে তা সে বিক্রি করে।লাশের বাক্স,আতর,গোলাপ জল আর যা যা আছে সব পওয়া যায় তার দোকানে।২,৩ এলাকায় এই ১টা দোকানই আছে।সবাই তার কাছে আছে যদি দরকার পরে।একসময় এইগুলা বিক্রি করতে ভয় হত,কিন্তু বিক্রি করতে করতে ভয়টা কেটে গেছে।কেউ মরেছে শুনলে তার খুশি লাগে,কারন তার আজ মাল বিক্রি হবে,আবার খারাপও লাগে।আজ এই দেহটা ছিল মানুষ,মরার সাথে সাথে হয়ে যায় লাশ।সব হয়ে যায় তার পর,এসব আরো অনেক ভাবে,খুব মন খারাপও হয়তার।কিন্তু জন্মই হয়েছে মৃত্যুর জন্ন্য তাকেও একদিন যেতে হবে।তার চলে যাওয়ার সময় হয়েছে।এমন সময় একটা অচেনা নাম্বার থেকে ফোন আসে।তাকে বলতেছে দোকান খোলা আছে কিনা,আর তাদের কিছু মালামাল লাগবে।তাই সে থেকে গেল বাকিরা চলে গেল। হঠাৎ করে তার দোকানের সামনের রাস্তায় দেখতে পেল ৪জন সাদা কাপড় পরা লোক।কাধে একটা লাশ।একটু অবাকও হয়েছে।আসতে দেখেনাই,আর তখনি মনে পরে ফোনের কথা,আর বুজতে পেরেছে ওরাই তাকে ফোন করেছেন।তার দোকানে গেল ১জন।একটা লাশ দাফন করতে যা লাগে তা কিনল।শিমুল তার সাথে কথা বলে জানতে পারল,তাদের ভাই মারা গিয়েছে,কিভাবে সেটা জানতে চাওয়ায় বলেনি সে।বাকি ৩জন লাশটা সামনে রাস্তায় রেখে শারি বেধে দাড়িয়ে ছিল,আর তাদের নজর ছিল দোকানের দিকে। আর তার দোকানে আসা লোকটা ছিল আদ্ভুদ,তার ভাই মারা গেছে,কিন্তু তার মুখে মন খারাপের কিছুই দেখেনাই শিমুল।দাম হল ১৮০০টাকা।তাকে ২০০০টাকা দিল।৪০০টাকা ভাংতি দেওয়ার জন্ন্য সে তার কেশের দিকে মাথা নিচু করে ৪০০টাকা হাতে নিয়ে সামনে তাকিয়ে আবাক,কেউ নেই সামনে।কোথায় গেল এই লোক গুলো।আস্তে আস্তে হেটে বাহিরে গেল সে,বাহিরের ঠান্ডা বাতাসে তার শরীর একটু কেপে ওঠল,আর তার সাথে ভয়।সে বাহিরে গিয়ে খুজেও কাউকে পেলনা।গেল কই,কে ছিল এই গুলো।কোনো মানুষের তো এত তারাতারি চলে যাওয়া সম্ভবনা।তার হাতে থাকা টাকা আর তার হাত কাপ্তেসে।আর সে আইবার বুজতে পারল কে ছিল।তার সাথে তার ভয়টাও আর বাড়ল।ভয়ে তার শরীর হিম হয়ে আসছে।কোনো রকম দোকানটা বন্দ করে দিল দোড় বাড়ির দিকে।হেটে যেতে লাগে ১৫মিনিট এর মত।এখন কয়টা বাজে তার জানা নাই।তার শরীরে সকল শক্তি দিয়ে দোড়াইতেছে সে। দোড়াতে দোড়াতে সামনে দেখতে পেল একটা লোক,তার বাড়ির দিকেই যাচ্ছে।একটু সস্তি ফিরে আসল তার।তার কাছে গেল,এখন তার বেবধাব লোকের সাথে ১হাত।তাকে সে ডাক দিল এই যে....... সে পিছনে ফিরে তাকালো,শিমুল এইবার কি করবে বুজতে পারছেনা,জ্ঞেন হারালো সে।কারন এই লোকটা ছিল,তার দোকানে কিনতে যাওয়া লোক।সকালে জ্ঞেন ফিরে তার।তার এলাকার হুজুরকে সে এই ঘটনা বলে।সব বলে হুজুর তাকে,কে ছিল তারা কেন এসেছিল।তার পর সে তার বিদায় স্টোর বন্দ করে দেয়।নতুন কাজে মনোযোগ দেয়। (সমাপ্ত) (ভালো না লাগলে মাফ করবে।আর বানান ভুল হওয়ার জন্ন্যও)

No comments:

Post a Comment