da4ba7d1b5688305010f9df38ec6fbfe045d25e0 Most Terrible horror ghost stories in bangla: গল্প:-#ভুতের চেয়েও অদ্ভুত
name="propeller" content="2ed678d440884c082cf36a57cdf105f7"

Sunday, December 10, 2017

গল্প:-#ভুতের চেয়েও অদ্ভুত

গল্প:-#ভুতের চেয়েও অদ্ভুত
#সজল_রায়
পর্ব:-১
গল্পটি বলছিল রাজ...।
বাতিটা দ্রুত নিভিয়ে দিয়ে রক্তশূন্য মুখে কাঁপা গলায় বলতে শুরু করলো:-
মনে আছে সালটা..। 1945সাল...। বড়দিনের আগের রাতে ঘটেছিলো ঘটনাটা..। সেদিন আচ্ছন্নের মতো যখন বন্ধুর বাড়ি থেকে ফিরছি মনে হচ্ছে পৃথিবীটা যেন অন্ধকারে মুড়ে ফেলেছিলো কেউ...।
সব আলো নিভে গেছে পৃথিবীর...।
যে বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার কথা বলছি আজ অবশ্য সে আর এই পৃথিবী তে আর নেই..সে এখন অন্য জগতে...।
একসময় আমরা আমাদের জমজমাট আড্ডাগুলো ওর বাড়িতেই বসাতাম প্রায়ই...।
আড্ডা বলতে অবশ্য প্রেত চর্চার আসর...।
যা বলছিলাম,সেই গলিপথে সেদিন একটাও আলো নেই,অন্ধকারের পথে হাতড়ে হাতড়ে কোনক্রমে চলছিলাম আমি...।
যেতে হবে মল্কো গির্জার কাছেই চাদারেভ মানে এক উচ্ছপদস্থ সরকারী কর্মীর বাড়িতে,,ওখানেই ভাড়া থাকি...।
অনেকটা পথ যেতে বাকি,যেতে হবে একবাড়ে শেষ প্রান্তে...। জায়গাটা অত্যন্ত নির্জনও বটে...। শিরকে ফিরতে নিজের প্রতি অনুকম্পায় বিষন্ন হয়ে উঠলো মনটা---ইভান শেষদিন আগত প্রায়ই...এবার তোমার অনুতাপের পালা,শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত...।
স্পিনোজার আত্মা প্রেতাত্মার আসরে আমাকে এই কথাই বলেছিল...। অনেকটা অনুনয়..বিনয় করে নানা ভাবে জিজ্ঞেস করে জানতে চেয়েছিলাম কথাগুলো---
সঠিক অর্থ কি--?
কিন্তুু অর্থটা ছিলো কথা গুলোর মতোই অমোঘ,,শুধু তাই আরও নির্দিষ্টভাবে জবাব পাওয়া গিয়েছিলো,সেটা আজ রাতেই...।
সত্যি সত্যি যে প্রেতাত্মার অস্তিত্বের বিশ্বাস আছে তা নয়,কিন্তুু মৃত্যুর শুনে আমি বিষন্নতায় ভুগতে শুরু করেছি...। মৃত্যু তো জীবনের অবশ্যম্ভাবী পরিনতি; কিন্তুু এই অন্ধকার রাতে,মাথার ওপর অঝোর ধারার বৃষ্টিপাত নিয়ে আমার মন এক অতি ভয়ঙ্কর আতঙ্কে শিউরে উঠতে লাগলো...।
নির্জন রাস্তায় তখন কেবল ঝড়ের দাপট...।
পেছনদিকে এমনকি ডান ও বাঁদিকেও তাকাতে ভরসা হলো না... ।
সোজা সামনের দিকে তাকিয়ে হাঁটতে লাগলাম...। ভয় হল----
যদি মৃত্যুর করাল রুপ দেখে ফেলি...।
ভয়ঙ্কর সেই আতঙ্কের কথা ভাষায় বুঝিয়ে বলার ক্ষমতা আমার নেই....।
কোনরকম সিঁড়ি দিয়ে উঠলাম যে তলায় আমি বাস করি..সেই পাঁচতলায়...।
মৃত্যুর ভয় তখন আমাকে প্রায়ই দুমড়ে মুচরে দিচ্ছে..।
ভেতরে ঢুকলাম তালা খুলে..।
অন্ধকার ঘরটা,তেমন কোন আসবাব নেই ওখানে...।
জানলা দরজার নানা ছিদ্র দিয়ে ঢুকে আসা ঠান্ডা বাতাস অপেক্ষাকৃত গরম চিমনির মধ্যে পাক খেয়ে খেয়ে শব্দ তুলে যেন একটু উষ্নতার সন্ধান করছে...।
হায় ভগবান, স্পিনোজার আত্মার কথা শুনে সেই অনুসারে আমাকে মরতে হবে আজ রাতেই...।
এইভাবে ভয়ে ভয়ে একটু একটু করে প্রানটা বেরোবে আমার...।
বিড়বিড় করছিলাম নিজের মনেই...।
তারপর জ্বালালাম একটা দেশলাই কাঠি...।
বাইরের ক্রুদ্ধ বাতাসের দাপটের আভাস তখন ঘরের মধ্যেও...।
মাঝে মাঝে হিমেল স্রোত ঢুকে পড়ছে ফাঁ ফোকোর দিয়ে...।
মনে হলো, এ যেনো ধ্বংসের শেষ দিন...।
এইরকম দুর্যোগের রাতে এই ভীষন একাকীত্বের মতো খারাপ আর কিছুই না...।
আপনাড়া পড়ছেন সজল রায়ের লেখা গল্প...।
আশা করছি পুরো গল্পটা আপনারা পড়বেন...।
এবং এই গল্প টি খুব খুব সুন্দর এবং ভয়ঙ্কর একটি গল্প...।
যারা পড়ছেন পুরো গল্পটা পড়ুন...।

No comments:

Post a Comment